জীবন খেয়া

জীবনের শেষ রশ্মিপাতে আজ আবার একা খেয়া পেরোনোর দিন এসে ঠেকল। চলছিলাম এক যাত্রী হয়ে । এসে হলাম নবীন যাত্রী। পেলাম জীবনের পথের সাথী। চলতে শুরু করলাম নতুন পথের যাত্রী হয়ে। পথ দুজনকে বেঁধে দিল বন্ধনহীন গ্রন্থিরূপে। কিন্তু হাওয়ার পন্থী হতে চাইনি।আজ হলাম হাওয়ার পন্থী। দেখছি আমার জীবনের শেষ খেয়া তীরে এসে ডুবে যাচ্ছে। হয়তো জীবনে চলবে আবার নবীন খেয়া। বাইব সেই যন্ত্র। নতুন মন্ত্র হয়তো আবার গাঁথব কুড়িয়ে পাওয়া ফুল দিয়ে। আস্তে আস্তে সরে যাচ্ছে সব। প্রেম ধীরে হয়ে উঠেছে কঠিন কঠোর প্রাণহীন জ্বলন্ত বিভীষিকার মতো। প্রেমের বেদনাভরা সুন্দর রূপ আজ আর পাইনা। বুকে চোট লেগে আবার কঠিন হয় সে। পাথর হয় মন। জল ঝরে না আর। তবু সে তীরে জীবন বেঁধে রাখার চেষ্ট। তবু সেই পশ্চিমে সূর্য অস্ত যাওয়াতে আনন্দ। তবু সে পূবের হাওয়া প্রেম গন্ধ। তবু সে গোধূলিবেলার প্রেম। কিন্তু মনে এলেও বাস্তবে আর থাকে না। সময়ের দায়ভাগী নক্ষত্রের কাছে আজ সব বিলীন। নেই প্রেমানন্দ মহিমা। নেই চোখে জল আনা উল্লাস। আমি আবার আমি। প্রাণ খোলা জানালার পাশে একাকী নীরবে থাকি। প্রাণের জানালা খোলা সকলের কাছে। এসে চলে যাও চুপিসারে। আমি কেবল আমাতে থাকি। তবু সে সরল….. সরল সে হসি। শুধু ভালোবাসি…. কেবল ভালোবাসি……

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *